শুক্রবার, ২১ জুন, ২০১৩

রোবট চিতার বাচ্চা!

সুইজারল্যান্ডের গবেষকেরা তৈরি করেছেন ছোট আকারের একটি চতুষ্পদ রোবট। এটি চিতাবাঘের বাচ্চার মতো দৌড়াতে পারে। অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজে এটি ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব রোবোটিকস রিসার্চ সাময়িকীতে গত সোমবার প্রকাশিত এক গবেষণা নিবন্ধে বোবটটির বিস্তারিত বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়। এটির নির্মাতা সুইজারল্যান্ডের ইপিএফএল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানান, এই রোবট প্রতি সেকেন্ডে সাড়ে চার ফুটেরও বেশি, ঘণ্টায় পাঁচ কিলোমিটারেরও বেশি গতিতে ছুটতে পারে, যা একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের জোরে হাঁটার গতির সমান। সংশ্লিষ্ট গবেষক আলেকজান্ডার সেপ্রাইৎজ বলেন, রোবটটির ধাতব কাঠামোর দৈর্ঘ্য আট ইঞ্চি, উচ্চতা ১৬ সেন্টিমিটার এবং ওজন এক কেজির সামান্য বেশি। এএফপি।

সৌরশক্তিচালিত বৃহত্তম নৌযান



undefined
উচ্চতা: ৬.৩০ মিটার
ওজন: ৯০ টন
গতি: ৯.২৫ কিলোমিটার/ঘণ্টা
সৌর প্যানেলের বিস্তার: ৫১৬ বর্গমিটার
ইঞ্জিনের সর্বোচ্চ ক্ষমতা: ১২০ কিলোওয়াট
নাবিক: ৪ জন
যাত্রী ধারণক্ষমতা: ৬০ জন
সফল যাত্রা
বিশ্বের সবচেয়ে বড় সৌরশক্তিচালিত নৌযান ‘টিউর‌্যানর প্ল্যানেটসোলার’ গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক বন্দরে ভিড়েছে। উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের গালফ স্ট্রিম সমুদ্রস্রোতের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিরীক্ষণের অভিযানে নৌযানটি নিযুক্ত রয়েছে। এটি বোস্টন, নিউফাউন্ডল্যান্ড ও আইসল্যান্ড হয়ে আগামী আগস্টের মধ্যে নরওয়ে পৌঁছাবে।
সুইজারল্যান্ড সরকারের আংশিক পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত ১১৫ ফুট লম্বা নৌযানটিতে শক্তির উৎস হিসেবে সংযুক্ত রয়েছে সৌর প্যানেল। সাগরে চলাচলের সময় এটি পাখির ডানার মতো করে সৌর প্যানেল প্রসারিত করে সূর্যরশ্মি থেকে সর্বোচ্চ শক্তি আহরণ করতে পারে। এই সৌরশক্তি কখনো ফুরাবে  না। এএফপি।